১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাই: ২০টি বাতিলের সুপারিশ

লেখক: Dhaka Bangladesh
প্রকাশ: ২ মাস আগে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে সংসদীয় বিশেষ কমিটি তার চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে। প্রতিবেদনে ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল বা বিলুপ্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বহাল রাখার এবং ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে কার্যকর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যকারিতা, সংশোধন ও প্রাসঙ্গিক সুপারিশের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

কমিটি যে ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে, তার মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বর্তমানে বিলুপ্ত হলেও ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করবে। বাকি ৪টি অধ্যাদেশ স্থায়ীভাবে বাতিল এবং সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বিরোধীদের নোট অব ডিসেন্ট

যদিও প্রতিবেদনটি সর্বসম্মতভাবে তৈরি হয়েছে, ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে কমিটির বিরোধী দলের সদস্যরা দ্বিমত পোষণ করেছেন। তারা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ জারি করে নিজেদের আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের আপত্তি প্রধানত চারটি বিষয়ে:

১) অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশকৃত ৪টি অধ্যাদেশ
২) সংশোধনের সুপারিশকৃত ২টি অধ্যাদেশ
৩) বাতিল করে পুনরায় বিল আকারে আনার তালিকায় থাকা ১১টি অধ্যাদেশ
৪) স্থায়ীভাবে বাতিলের তালিকায় থাকা ৩টি অধ্যাদেশ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া

সংসদীয় কমিটির এই প্রতিবেদন এখন হাউসে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা আইন ও অধ্যাদেশগুলোর স্থায়িত্ব নির্ধারণ এবং সেগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করা।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিপূর্ণতা, স্বচ্ছতা এবং সংসদীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আইনি ঝুঁকি এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন...