TadantaChitra.Com | logo

৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নারীবাজীতে নকীবের সেঞ্চুরী, জুয়াবাজীতে শামীম বেপরোয়া!

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১, ১২:৫৬

নারীবাজীতে নকীবের সেঞ্চুরী, জুয়াবাজীতে শামীম বেপরোয়া!

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ভোলার আলোচিত বালুদস্যু বাহিনীর প্রধান নকীব-শামীমের অপরাধ কাহিনীর বলয় শুধু লুটতরাজ আর সন্ত্রাসকর্মের মধ্যেই আটকে নেই। তারা দুই চাচা-ভাতিজা পাল্লা দিয়ে নিজেদের নেশা ঘরের শীতল পাটিতে বসে কুৎসিত কুকর্মে মেতে উঠার প্রতিযোগিতায় কেউ হারতে চাননা। এসব ক্ষেত্রে ভোলার চিহ্নিত ক্রাইমারখ্যাত আ’লীগ নেতা জহুরুল ইসলাম নকীব নারীসঙ্গতেই বেশী দূর্বল। আর তার ভাতিজা আনোয়ার হোসেন শামীম মোরাদার বরাবরই সন্ত্রাসকর্মের পাশাপাশি জুয়াবাজীতে মত্ত্ব থাকা তার বেশী পছন্দ।

সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানকালে, ভোলার শ্রেনী পেশার মানুষের কাছ থেকে এই দুই চাচা-ভাতিজার লাগামহীন বেলেল্লাপনার চাঞ্চল্যকর বহু খবর মেলেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম নকীব আপাদমস্তক একজন নারীবাজ ব্যক্তি হিসেবে ভোলা শহরে ইতিমধ্যেই নিজের স্থান করে নিয়েছেন। অবৈধভাবে বিত্ত্ববৈভবের মালিক হওয়ার পাশাপাশি নিজের চরিত্রের স্খলন ঘটাতে তিনি বরবরই সচেষ্ট থাকেন। নিত্যনতুন নারী সঙ্গ পেতে নকীব সর্বদা-ই ব্যাকুল হয়ে নিজেকে ফিটফাট রাখেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি আরো জানায়, আওয়ামী লীগ যখন প্রথম সরকার গঠন করেন, তখনই নকীবের নারীবাজীর লেস ক্যারাক্টারের খবর ভোলার অজোপাড়াগায়ের মানুষ জেনে যায়। শুধু সন্ত্রাস আর নারীবাজীসহ লাম্পট্যের নানা নোংরামী নাঠাই ঘোরাতে নকীব তার পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় বসবাসের ব্যবস্থা করে দেন। তার ধারনা ছিল স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় রাখা হলে নিজের নারী খেকোগিরির কোন কাহিনী-ই স্ত্রী জানতে পারবেন না। সূত্রমতে, নারীবাজী করতে জহুরুল ইসলাম নকীব ভোলায় তার গাজীপুর সড়কে অবস্থিত বাড়ীর তিন তলায় তৈরী করেছেন নষ্টামী কান্ডের অন্দরমহলের হেরেমখানা। সেখানে প্রতিরাতে চলে নতুন নতুন ভোগ-বিলাসের মনবাসনার রঙ্গলীলা। রাত যত গভীর হয় ততই জমতে থাকে তাঁর ইয়াবা সেবন ও নারী নিয়ে রঙ্গলীলার আসর। এছাড়াও ভোলা ও জেলার বাহির থেকে সুন্দরী রমনীদের ভাড়া করে আনা হয় নকীবের এই হেরেমখানায়। ক্ষমতার দম্ভ, অপরাধ আর সন্ত্রাসকর্মের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে নারীবাজীকেই বেছে নিয়েছেন নকীব। সূত্রমতে, প্রতিদিনকার নানাধরনের অন্যায়কাজ, টেন্ডারবাজী, মানুষের উপর শোষন-নীপিড়ন আর অপরাধ করতে নকীব বিভিন্ন দপ্তরের কর্তা বাবুদের তার অন্দরমহলের সেই হেরেমখানায় দাওয়াত করে আনেন। সেখানে তাদেরকে সাটান দেহের তরতাজা রগরগে লোভনীয় ভার্জিন কচি মুরগীর রোস্ট দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। টগবগে মুরগীর সু-স্বাদু সেই মাংসের স্বাদ পেয়ে কর্তা বাবুদের কামনার শোলকলা পূর্ন হলেই নকীবের বাজীমাত। টেন্ডারবাজীর কাজ বাগিয়ে নেওয়া যায় খুব সহজেই। সূত্রমতে, দিনের আলোর শেষে রাতের আগমনের সাথে সাথেই নকীবের প্রাসাদে চিত্তের ক্ষুধা আর কামনার আগুন নেভাতে কঁচি কামিনিদের হাট বসানো হয়। সেই হাটের ক্রেতারা বেশ সাধারনতঃ উঁচু দালানের বড় বাবুরাই হয়ে থাকেন। কথিত আছে যে, নকীবের ভোগ-বিলাসের তাক লাগানো মুরগি কখনো রাজধানীতে রাজনৈতিক দলের নামীদামি নেতাদের শূনশান বাড়ীতে পাঠিয়ে তাদের মনোরঞ্জন করা হয়, বিনিময় নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরো পাকাপোক্ত করার চেষ্টা চালানো হয়। কারন তার রাজনৈতিক গুরু তোফায়েল আহমেদের কাছে তিনি এখন আস্থাহীন বিশ্বাসঘাতক এক নষ্ট মানুষ হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। ফলে কুলহারানো নকীব তার চিরায়িত অপরাধ কর্ম অব্যহত রাখতে নতুন গুরু খুজতে চোখ ধাঁধানো মুরগী নিয়ে গডফাদারদের আশীর্বাদ পেতে ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন। গত মাসের ১৭ তারিখ দিবাগত রাত ভোলার হেরেমখানায় বিপুল পরিমান ইয়াবা নিয়ে স্ত্রীর কাছে ধরা খেয়ে রাতভর ঝগড়াঝাঁটি করে পরেরদিন ঢাকার কথা বলে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা গিয়ে নারী ও ইয়াবা নিয়ে মনোরঞ্জন করেন জহুরুল ইসলাম নকীব। জানা গেছে, কুয়াকাটা থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম-সিলেট মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে নারী ও ইয়াবা নিয়ে ফূর্তি করেন।

একাধিক সূত্রমতে, নারীবাজীগিরি করতে নকীবকে সবচেয়ে বেশী সঙ্গ দেন ভোলার একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নেতা। (যার নামের প্রথমাক্ষর “গৌ” এবং শেষাক্ষর “ঙ্গ”)।ভোলা শহরে ওই ব্যক্তি টিভির মেইকার হিসেবে বেশী পরিচিত। নারী সরবরাহের কৃতিত্বের পুরস্কারস্বরুপ ওই ব্যক্তিকে ভোলার বিআরডিবি নামক সরকারী সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে সম্মানিত করেছেন আ’লীগ নেতা জহুরুল ইসলাম নকীব। আর ওই পদে বসে নকীবের নারীদাতা সেই ব্যক্তি সংস্থাটি হতে নানা ফাঁকফোকড় দিয়ে সরকারের বিভিন্ন খাতের কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন বলে অভিযোগের অন্তঃ নেই। শুধু তা-ই নয়, নকীবের স্পর্শকাতর জায়গার এই সংখ্যালঘু বন্ধু নিজের স্ব-গোত্রীয় উঠতি বয়সী তরুনীদেরকেও নানা ছলচাতুরীর মাধ্যমে নকীবের কাছে নাজরানা হিসেবে নিয়ে আসেন। এভাবে একবার কোন তরুনী নারী নকীবের কব্জায় পড়লে জীবনের প্রথম বাড়ন্তগড়নের একমাত্র সতীত্ত্ব হারিয়ে অন্ধকার জগতের নির্মম নিপীড়নের নিয়তিকে মেনে নিতে হয়।

তথ্যসূত্রটি জানায়, ভোলা সদরের কাচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ বাগিয়ে নেয়ার পর থেকে ওই জনপদে নকীবের নারীবাজী আর শোষন-নিপীড়নের নির্মমতার কাহিনী সকলের মুখে মুখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাচিয়া এলাকার বেশ কয়েক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে জানান, গ্রামের তরুনী ও বিভিন্ন নারীদেরকে নাগরিক সনদ, চাকুরী, বিধবা ভাতা, উপ-বৃত্তির টাকা পাইয়ে দেয়া, দাম্পত্য কলহের সমাধানসহ নানা ধরনের প্রতিশ্রুতির প্রতারনার ফাঁদে ফেলে তাদের সাথে যৌনলীলার জলজ্যান্ত খবর ভেলাবাসীর অজানা নয়।

 

স্থানীয়রা জানান, ভোলা শহরের গাজীপুর রোডের যে স্থানটিতে নকীবের বাসভবন ঠিক তার উল্টো দিকেই এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের এক ব্যবসায়ীর সুন্দরী স্ত্রী’র দিকে কু-নজর পড়ে নকীবের। ভোলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের প্রবীন শিক্ষক ও এক আ’লীগ নেতার ওই সুন্দরী কন্যাকে গাজীপুর সড়কের সেই ব্যবসায়ীর কাছে বিয়ে দেয়ার পর থেকেই জহুরুল ইসলাম নকীবের নষ্টামীর বদ নজরে পড়ে এ সুন্দরী রমনী। তাকে যেকোন মূল্যেই কামনার জলে ভাসাতে একান্ত কাছে পেতে ব্যাকুল হয়ে পড়েন নকীব। একপর্যায়ে সেই আসা পূরন হয় তার। রাজনৈতিক দলের একটি অঙ্গসংগঠনের সাধারন সম্পাদিকার পদ প্রদানের বিনিময় সুন্দরী ললনার সু-স্বাদু নরম মাংশের সাথে কামার্ত লালসার লাম্পট্য’র লীলা-খেলায় মেতে উঠেন নকীব। এভাবে হরহামেশায়-ই চলে নকীবের নারীবাজীর রঙলীলা। ওই নেত্রীর মাধ্যমেও নকীব সাহেব নানা জাতের দেশী মুরগী জোগাড় করে ঢাকার অভিজাত এলাকার বড় বাবুদের কাছে নিয়ে তাদের কাম ক্ষুধার জ্বালা মেটান। যদিও নকীবের কামনার মনোরঞ্জনের বিনিময় সুন্দরী ওই নারী নেত্রী খুব অল্প সময়ে বিশাল বিত্ত্ববৈভবের মালিক বনে গেছেন। নকীবের আদর-যত্ন আর বদান্যতায় দেশের বাজারের চাহিদা মিটিয়ে এ মুরগী নেত্রী এখন বিদেশের মাটিতে গিয়েও তার লোভনীয় মাংশ পিন্ডের মূল্য বাবদ অনেক রেমিটেন্স এনে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। বর্তমানে নকীব তার লাম্পট্যের এ রানীকে ভোলায় না রেখে ঢাকার সোবহানবাগ এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়ায় রেখেছেন বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। ওই ফ্ল্যাটে ভোলা থেকে অসহায় নারীদের সেখানে নিয়ে মাংস পিপাসুদের হাতে সুপে দেয়া হয়। সেখানেও রয়েছে নকীব বাবুর তেলসমাতি কান্ডের নীল পরীদের নগ্ন-নাচনের রঙ্গিন হেরেমখানা।

 

এদিকে জহুরুল ইসলাম নকীবের এহেন নারীসঙ্গের কাহিনী জানতে পারেন তার স্ত্রী। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তিনি ঢাকা থেকে ভোলাতে আসেন। তত্ত্ব-তালাশে খুঁজে পান স্বামীর সাম্রাজ্যের রঙমহলের এক অন্য দুনিয়া। আবিস্কার করেন মুরগী সরবরাহকারী সেই দালাল “গৌ….ঙ্গ”কে। গেল ২০১৯ সালের মাঝামাঝি কোন একদিন ভোলা থেকে বিশেষ নারীসহ ঢাকায় রওয়ানাকালে ওই দালালসহ লঞ্চে ধরা পড়েন নকীব। সেখানে স্বামী আর কলগার্লকে সমানে জুতাপেটা করার ঘটনা ভোলার কারোরই অজানা নয়। সাথে ওই দালালকেও বেধড়ক পিটুনি খেতে হয়েছে নকীবের স্ত্রী’র হাতে। এ ঘটনাটি তখন ভোলার টক অব দ্য টাউনে রুপ নেয়।

জহুরুল ইসলাম নকীবের বেশ ক’জন একান্ত সহচর নিজেদের নাম গোপনের শর্তে জানান, তাদের জানামতে, নারীবাজীতে নকীব সেঞ্চুরী পার করেছেন বহু আগেই। ওদিকে চলতি মাসেই নকীবের নারীমহলের দালাল বলে খ্যাত কথিত সেই মেইকারকে সামাজিক গণমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছেন। তার শাস্তির দাবি জানিয়ে ভোলার ওলামা-মাশায়েখসহ ইসলামপ্রিয় শান্তিকামী তৌহিদী জনতা রাজপথে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। কিন্তু দূঃখজনক হলেও সত্য যে, জহুরুল ইসলাম নকীব তার নারীদাতার মুক্তির জন্য নানানভাবে চেষ্টা-তদ্বির চালাচ্ছেন বলে খবর মিলেছে। বিষয়টি জানতে পেরে ভোলার ধর্মপ্রান মানুষদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

 

অপরদিকে জহুরুল ইসলাম নকীবের আপন ভাতিজা আনোয়ার হোসেন শামীম’র বিরুদ্ধে অপরাধ-অপকর্ম আর সন্ত্রাসীকার্যের পাশাপাশি ব্যাপক জুয়াবাজীর বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। ভোলার কয়েকটি স্পটে শামীমের জুয়াচুরির শক্ত ঘাটি রয়েছে। তার জুয়াকান্ড আর শোষন-বঞ্চনার ইতিহাস খুবই নির্মম বলে ভোলার পাড়া-মহল্লায় চাউর রয়েছে। সূত্রমতে, ভোলার জুয়াপাড়ার একমাত্র নিয়ন্ত্রক এই শামীম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোলা সদরের “কাচিয়া বাঘাবাড়ী” সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন থেকেই শামীম মোরাদার পেশাদার জুয়ারী ছিলেন। কাচিয়া ইউনিয়নের সুপারী বাগানগুলো ছিলো তার জীবনের জুয়াবাজীর প্রথম তালিমের জায়গা। নিজ কর্মস্থল স্কুলটিতেও জুয়ার ঘাটি বানিয়েছিলেন আনোয়ার হোসেন শামীম মোরাদার। তাছাড়া চাচা জহুরুল ইসলাম নকীবের মত নারীবাজীতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে না পারলেও শামীমের হাতে ভোলার বহু নারী তাদের সম্ভ্রম হারিয়েছেন বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। জানা গেছে, জুয়াবাজী আর নারী ইজ্জত লুটে নিতে শামীম চাচার মতই অনেকটা বেপরোয়া।

সূত্রমতে, অন্যায়-অপরাধের বিরামহীন তান্ডব চালাতে কেউ যেন বাঁধা হতে না পারে সেজন্য শামীম খুব অতি সাধারন ঘরের কম শিক্ষিত এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষিকার চাকুরীও দিয়েছেন। ভোলা সদর মডেল থানার সামনেই অবস্থিত “ভোলা ক্লাব” সেখানেই মুলতঃ শামীমের জুয়ার ঘাটি। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর ওই ক্লাবে চলে শামীম বাহিনীর জুয়ার আসর। তথ্যমতে, জুয়াবাজীতে ভোলায় আনোয়ার হেসেন শামীম একজন কিংস্টার হিসেবে পরিচিত। তিনি গুন্ডামী করে যত টাকা আয় করেন, তার চেয়ে তিনগুন টাকা ইনকাম করেন জুয়াবাজী করে।

 

একটি সূত্র জানায়, প্রতিবছর ভোলার দুই চাচা-ভাতিজা নকীব-শামীমের নেতৃত্বে বার্ষিক বনভোজনের নামে নারীবাজী আর জুয়াবাজীর আয়েজন করা হয়। নদীপথে আনন্দ ভ্রমনের ব্যবস্থায় কয়েকদিনের জন্য ভাড়া করা হয় বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চ। ওই আনন্দ ভ্রমনে নারীবাজীর নেতৃত্বে থাকেন, জহুরুল ইসলাম নকীব আর মাদক এবং জুয়াবাজীর দায়িত্বে থাকেন আনোয়ার হোসেন শামীম। নদী পথের সেই প্লেজার ট্রিপে বিভিন্ন এলাকা থেকে ডাকসাইডৈ কর্লগার্লদের ভাড়া করে আনা হয় আর সেখানে বড় বড় জুয়াড়ীদের পসরা বসে। তথ্যমতে, বার্ষিক ওই নোংরামী মেলায় কোটি কোটি টাকার জুয়া ও নারীভোগের উম্মাদনায় বে-হিসেবী টাকা খরচের আয়োজন চলে। বাৎসরিক পিকনিকের নামে মূলতঃ নৌ-ভ্রমনে জুয়া আর নারীবাজীর বিজনেস চালান দুই চাচা-ভাতিজা।

সূত্রমতে, বার্ষিক ওই আনন্দ বিলাসে নকীব-শামীমের কোটি কোটি টাকা ইনকাম হয়ে থাকে। এভাবে ভোলার জনপদে শামীম-নকীব অন্যায়-অবিচারের লাগামহীন দৌরাত্ম্যে দ্বীপ জনপদ ভোলার মানুষ এখন চরম আতঙ্ক, উদ্বেগ-উৎকন্ঠাসহ এক ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে জহুরুল ইসলাম নকীব এবং তার ভাতিজা আনোয়ার হোসেন শামীম মোরাদার বরাবরের মতোই এসব ঘটনার সাথে তাদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।

 

এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এনায়েত হোসেন বলেন, এধরনের অভিযোগের বিষয়ে সু-নির্দিষ্ট কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা নিবে। অন্যদিকে এদের ভয়ঙ্কর অপরাধের কড়াল গ্রাস থেকে রক্ষা পেতে ভোলাবাসী প্রধানমন্ত্রী’র সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

৪৭৩ ডিআইটি রোড তৃতীয় তলা, মালিবাগ রেইল গেট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

তদন্ত চিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।