TadantaChitra.Com | logo

১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী থেকেও ক্ষমতাধর স্টাফ অফিসার মাহফুজ!

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩, ১৪:৩৫

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী থেকেও ক্ষমতাধর স্টাফ অফিসার মাহফুজ!

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আক্তারের চেয়েও ক্ষমতাধর তার স্টাফ অফিসার প্রকৌশলী মাহফুজুল আলম। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর খাস কামরার রক্ষক যাকে বলা হয় তিনি প্রধান প্রকৌশলীর (প্রটোকল ও প্রশাসন) স্টাফ অফিসার প্রকৌশলী মাহফুজুল আলম। ঠিকাদার থেকে শুরু করে নির্বাহী প্রকৌশলী সবার কাছে এখন তিনি মি: কমিশন মাহফুজ নামে পরিচিত তিনি। এছাড়াও মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর সবকিছুই উলটপালট হয় কিন্তু একমাত্র বহাল তবিয়তে রয়েছেন তিনি। তাই গণপূর্ত অধিদপ্তরের অনেকেই তাকে তেতুল গাছের ঢেঁকি হিসেবে (অবক্ষয়) উপাধি দিয়ে থাকেন। অধিদপ্তরের অনেকেই বলে থাকেন গণপূর্ত অধিদপ্তর মাহফুজের আঙ্গুলের ইশারায় চলে যেন মন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান তিনি। নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপসহকারী প্রকৌশলীদের কাজ থেকে দুর্নীতির কমিশন আসে তাঁর কাছে। তাঁকে মিস্টার কমিশন হিসেবে চিনেন অনেকেই।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এ যাবৎ কালের সবচেয়ে বড় ঘুষ কেলেঙ্কারির হোতা বিতর্কিত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুলের ডান হাতখ্যাত ছিলেন এই মাহফুজুল আলম। ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়ম আর ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার তদবির করে যেমন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তেমনি বেশ কিছু দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা হিসাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরে তিনি ডন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতিবাজ ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুলের আস্থাভাজন উপসকারী প্রকৌশলীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ন স্থানে পদায়ন করতে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে ফাইল উপস্থাপন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি বিভিন্ন কলাকৌশলে প্রধান প্রকৌশলীর কাছ থেকে অনুমোদনও করে নেন মাহফুজ আলম। এসব উপসহকারী প্রকৌশলীরা তাকে প্রতিমাসে টাকা দেন। তাদের মধ্যে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছেন কয়েকজন। এবং ঢাকার বাহিরে প্রায় দশজন। তাদের নাম আগামী পর্বে প্রকাশ করা হবে।

সুত্র জানায়, এসব কারণেই নির্বাহী প্রকৌশলীর পদমর্যাদা হওয়া সত্ত্বেও তার অনেক কার্যক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঠিকাদার ও তদবিরবাজদের সাথে প্রধান প্রকৌশলীর সাক্ষাৎ – বিনিময় সহ সকল দেন-দরবারের সিডিউল করে থাকে প্রকৌশলী মাহফুজুল। যে কারনে তার সিন্ডিকেটের বাইরের কোন ব্যক্তিকে প্রধান প্রকৌশলীর সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পর্যন্ত দেন না তিনি। অধিদপ্তরের প্রকৌশলী/ নির্বাহী প্রকৌশলীরা একাধিকবার দপ্তর বদল হলেও অদৃশ্য এক শক্তির বলে প্রায় এক দশক ধরে একই চেয়ার আঁকড়ে আছেন স্টাফ অফিসার মাহফুজুল।

জানা গেছে, ২০২১ সালে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ভবন নির্মাণ কাজে প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান সহ একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা শাস্তির আওতায় এসেছিলেন। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সক্ষম মহান মাহফুজুর রহমান। তার দুর্নীতি নিয়ে আরো বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী পর্বে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে প্রকৌশলী মাহফুজুল আলম বলেন এসব মিথ্যা।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

আজাদ টাওয়ার ৪৭৬/সি-২, ডিআইটি রোড ৭ম তলা, মালিবাগ রেলগেইট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২ , ০১৯৩৪৩৪১৬১৮

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

Web Design & Developed By
A

তদন্ত চিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।