TadantaChitra.Com | logo

৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রানা প্লাজা ধস: ১১ বছরে কতটা বদলেছে শ্রমিকের জীবনমান?

প্রকাশিত : এপ্রিল ২৪, ২০২৪, ০৯:১৫

রানা প্লাজা ধস: ১১ বছরে কতটা বদলেছে শ্রমিকের জীবনমান?

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল রানা প্লাজায় ফাটল দেখা দেয়ার পর সেখানে অনেকেই উপস্থিত হয়েছিলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি তো বটেই, সাভারের পুলিশ কর্মকর্তা, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সবাই ঘুরে দেখে গেছেন ভবনের পরিস্থিতি।

কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার যখন নিজে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে সাহস পাচ্ছিলেন না, ভবন মালিক রানা ‘সামান্য প্লাস্টার খসে পড়েছে’, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কিছু না’ বলে ঘোষণা দেন। স্বয়ং ইউএনও যখন ভবন মালিকের সুরে সুর মিলিয়ে বললেন, ‘তেমন আশঙ্কার কিছু নেই’, তখন আসলে শ্রমিকদের আর কীই বা করার থাকতে পারে।

ফাটলটি গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে একটি টেলিভিশন ছাড়া অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদটি প্রকাশও করা হয়নি। রানা প্লাজা ধসের আগেরদিন থেকে এই সংবাদ প্রচার করার চেষ্টা করা সাংবাদিক নাজমুল হুদা ডিডাব্লিউকে বলছিলেন, ”এত দায়িত্বশীল মানুষেরা সেখানে এসে ভবন পরিদর্শন করে গেছেন, এত সাংবাদিক সেখানে ছিলেন।

একটু সচেতন হলেই হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচানো যেত।” কিন্তু এই অবহেলার কারণটা কী? গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান আলোকচিত্রী তাসলিমা আখতার মনে করেন, অতি মুনাফার লোভই এর আসল কারণ।

ডিডাব্লিউকে তিনি বলেন, ”বাংলাদেশের মালিক (কারখানার), সরকার বা বিদেশি ক্রেতারাও শ্রমিকদের মনে করতেন অনেকটা মেশিনের মতো। তারা শুধু কাজ করবে, তাদের কোনো স্বপ্ন থাকবে না। তাদের কোনো পরিবার থাকবে না। এই যে ভাবনা, যে তারা মালিকদের জন্য পণ্য তৈরি করবে আর তাদের মুনাফার আয়োজন করবে, সেটাই মূল সমস্যা।”

রানা প্লাজায় অবস্থিত পোশাক কারখানাগুলোতে কাজ করা শ্রমিকদের মন্তব্যেই স্পষ্ট, কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয়েছিল। আগের দিন ফাটল দেখা দেয়ার পরদিন কারখানা ছুটি দেয়া হয়। পরদিন তাদের অনেকেই ভয়ে আর কাজ করতে চাচ্ছিলেন না। মাসের ২৪ তারিখ।

আর এক সপ্তাহ পরই হয়তো বেতন হবে। বেশিরভাগ শ্রমিকেরই বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে সব খরচের একমাত্র জোগান এই পোশাক কারখানার চাকরি। ২৪ তারিখ সকালে যারা রানা প্লাজায় ঢুকতে চাচ্ছিলেন না, তাদের হুমকি দেয়া হয় কাজ না করলে বেতন আটকে রাখার। ফলে অধিকাংশ শ্রমিকই বাধ্য হন কাজ শুরু করতে।

কেমন আছেন আহত শ্রমিকেরা?

রানা প্লাজা ধস থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের কাছে এখনও সেই সময়ের স্মৃতি সমান স্পষ্ট। বরং অনেকের কাছে রানা প্লাজায় বেঁচে যাওয়ার পর বাকি জীবন বেঁচে থাকাটা একটা লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। রানা প্লাজার নিউ ওয়েভ বটমস লিমিটেডে অপারেটরের কাজ করতেন আজিরন বেগম। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ার প্রথম দিনই উদ্ধার করা হয় তাকে। আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও, মেরুদণ্ড ও মাথায় আঘাত পাওয়ায় এখন দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না।

রানা প্লাজার নিউ ওয়েভ বটমস লিমিটেডে অপারেটরের কাজ করতেন আজিরন বেগম। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ার প্রথম দিনই উদ্ধার করা হয় তাকে। আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও, মেরুদণ্ড ও মাথায় আঘাত পাওয়ায় এখন দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। তখন তিনি একটি স্থানীয় দাতব্য সংস্থার অফিসে কিছু অর্থসাহায্যের জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন। কেন? রানা প্লাজায় আহত শ্রমিকদের কি ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি? তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি? আজিরন জানান, তার কারখানা প্রাইমার্কের পোশাক তৈরির কাজ করতো। সেই প্রতিষ্ঠান থেকে এককালীন ক্ষতিপূরণ হিসাবে তিনি কিছু টাকা পেয়েছেন। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতার কারণে তিনি কোনো কাজই করতে পারছেন না। ফলে সেই টাকাও একসময় শেষ হয়ে গেছে। বাসা ভাড়াও জোগাড় করতে পারেন না বলে থাকছেন মেয়ের বাড়িতে। সেখানেও তাকে বোঝা মনে করে দুর্ব্যবহার করা হয়।

আজিরন বলেন, ”এলাকার মানুষ বলে, তুমি এত খারাপ ব্যবহার সহ্য করেও মেয়ের বাড়িতে থাকো কেন? অন্য কোথাও সরে যাও। কিন্তু সরে কোথায় যাবো? কার কাছে যাবো?” তিনি জানান, তার বাবা-মা মারা গেছেন অনেক আগেই। রানা প্লাজা ধসে আহত হওয়ার পর তার স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ভাইও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চায় না। উপায় না দেখে বাবার কাছ থেকে পাওয়া নিজের ভাগের সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়েছিলেন মেয়ের জামাইকে। এখন সেটাও শেষ হয়ে যাওয়ায় তার আর কোনো উপায় নেই। আজিরন বলেন, ”জমিজমাও বিক্রি করে খেয়েছি। এখন কী খাবো? আমি যদি এই বয়সে মানুষের কাছে ভিক্ষা করতে যাই, মানুষ ভিক্ষা দিবে? মানুষ বলবে, তুই ভালো মানুষ, আমার বাড়িতে কাজ করে খা। মানুষ তো আর দেখছে না আমার শরীরে কোথায় কী সমস্যা!” এই পরিস্থিতি শুধু আজিরনের নয়।

নিউ ওয়েভ স্টাইলে সেলাই অপারেটর ছিলেন আফরোজা বেগম। কয়েক ধাপে লাখখানেক টাকার মতো ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শারীরিক ও মানসিক সংকটে ভোগার কারণে কোনো কাজ করতে পারছেন না তিনিও। ফলে ক্ষতিপূরণের টাকা শেষ হয়েছে অনেক আগেই। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ দেয়া হলেও সিটি স্ক্যানের মতো অনেক পরীক্ষার খরচ তাকেই বহন করতে হচ্ছে। আর সেখানেই তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। আফরোজার পরিস্থিতিও অনেকটা আজিরনের মতোই। কয়েকবার নানা ধরনের কাজ করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কয়েকদিন কাজ করলেই তার নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়ায় এখন আর কেউ তাকে কোনো কাজেও নিতে চায় না।

২০১৪ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে রানা প্লাজায় হতাহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিল সরকার। কমিটি কিছু সুপারিশ করে। সেই সুপারিশ অনুযায়ী, স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করা শ্রমিকদের ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা ক্ষতিপূরণের সুপারিশ করা হয়েছিল৷ একটি অঙ্গ হারানো শ্রমিকদের সাড়ে সাত লাখ টাকা, দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন এমন শ্রমিকদের সাড়ে চার লাখ টাকা এবং মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের দেড় লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

যখন রানা প্লাজায় উদ্ধারকর্ম চলছিল, তখন আরেকটি কাজ চলছিল কীভাবে পোশাকশিল্পকে রক্ষা করা যায়। আইএলওর প্রচেষ্টায় সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের শিল্পে নিরাপত্তার বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বলা হয়, এখন থেকে কঠিনভাবে নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা হবে। এই চুক্তির করে সবাইকে আশ্বস্ত করা হবে যে এরপর নিরাপত্তার বিষয়টি কঠিনভাবে দেখা হবে। এ খবর সঙ্গে সঙ্গেই আইএলওর ওয়েবপেজে দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন দেশের আইএলও অফিসকে জানানো হয়। ইউরোপ ও আমেরিকায় ইতিমধ্যে স্লোগান ওঠে, শ্রমিকের জীবনের বিনিময়ে  রক্তভেজা পোশাক কিনব না।

নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ক্লিন ক্লোথ ক্যাম্পেইন নামে একটি সংগঠন ইউরোপের বড় বড় শহরে মলগুলোর সামনে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রানা প্লাজার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে থাকে। জার্মানি, ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় একই প্রতিক্রিয়া হয়। আমেরিকার অনেক কলেজ–ইউনিভার্সিটির পোশাকের অর্ডার বাতিল হয়। দেশ ও বিদেশের, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তখন লক্ষ্য কীভাবে এই শিল্প ও চল্লিশ লাখ লোকের কর্মসংস্থান বহাল রাখা যায়।

যাঁরা নিহত ও আহত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ, আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কীভাবে করা যায়। বাংলাদেশের প্রচলিত শ্রম আইনে খুবই সামান্য অর্থ পাওয়া যাবে। আর মালিকদের সেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার অবস্থাও নেই। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ও বিজিএমইর কিছু টাকা আর বিদেশি পোশাক ক্রেতারা একটা বড় অঙ্কের টাকা দিলেন। যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের পরিবার ১০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো, আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনগুলো, ক্লিন ক্লোথ ক্যাম্পেইন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিস (বিলস) এই উদ্যোগে যোগ দেয়।

পোশাকশিল্পের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ক্রেতা, সিভিল সোসাইটি, মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে দুটি সংস্থা গঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অ্যাকোর্ড ও নর্থ আমেরিকান অ্যালায়েন্স। তারা শুধু নিরাপত্তা নয়, শ্রমিকদের সচেতনতা ও প্রতিনিধিত্বের বিষয়েও কাজ করে।

রানা প্লাজার ঘটনার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে দেওয়া জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স (জিএসপি) সুবিধায় বিনা শুল্কে পণ্য রপ্তানি করার সুবিধা তুলে নেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নও জিএসপি–সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়ে সাবধান করে সময় নির্ধারণ করে দেয় এবং শ্রমিকের নিরাপত্তা, মানবিক অধিকার, ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার ও প্রতিবন্ধকতা দূর করাসহ শ্রমিক অধিকার বিষয়ে উন্নয়নের জন্য একটি রোডম্যাপ ঠিক করে।

আইএলওর সহায়তায় তারা প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এশিয়ার তিনটি রাষ্ট্র—বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়াকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে শ্রম ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তাও দেয়। জার্মান সরকার বাংলাদেশ থেকে পোশাকশিল্পের শ্রমিকনেতা শিল্পের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও শ্রম দপ্তরের কর্মকর্তাদের সেখানে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়। জার্মানির বৈদেশিক সাহায্য মন্ত্রী গেয়ার্ড ম্যুলার বাংলাদেশে আসেন, উপমন্ত্রী হানস ইয়াখিম ফুকটেল দুবার বাংলাদেশে আসেন কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ে সহযোগিতার জন্য।

২০১৫ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী, উপশ্রমমন্ত্রী, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বড় বড় কর্মকর্তার শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধিদের জার্মানিতে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে যান। জার্মানির কর্মক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ হলে তাঁদের ইনজুরি ইনস্যুরেন্সে শ্রমিক–কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণের যে ব্যবস্থা আছে, তাঁরা চাইছিলেন সে ধরনের ব্যবস্থা বাংলাদেশও করুক।

জার্মানিতে যে নিরাপত্তা ও বিমা ব্যবস্থাপনার ইনস্টিটিউট আছে (ডিজেইউভি), বাংলাদেশে সে রকম একটা ইনস্টিটিউট করে দেওয়া সম্ভব বলে জানানো হয়। বাংলাদেশে সরকার এই প্রস্তাবে রাজি হলেও এ পর্যন্ত কয়েকটি পোশাকশিল্প নিয়ে একটি পাইলট ইনজুরি স্কিম চালু হয়েছে মাত্র।

কর্মকর্তারা বারবার বিদেশ ভ্রমণ করে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের বিমা ও নিরাপত্তা দেখতে যান কিন্তু এক যুগ পার হলেও আসল কাজটি শুরু করা গেল না। অথচ কোরিয়া, ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে শ্রমিকদের ইনজুরি ইনস্যুরেন্স চালু হয়েছে জার্মানির সহায়তায়। বাংলাদেশে শ্রমিকেরা সংগঠিত হওয়ায় শ্রম আইনের কঠিন বাধ্যবাধকতা, মজুরি নির্ধারণের সরকারি উদ্যোগের অভাব, কর্মক্ষেত্রে মানবিক অধিকারের অভাব, অসংগঠিত সেক্টরের শ্রমিকদের শ্রম আইনের বাইরে রাখা, ইপিজেড, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের শ্রম আইনের অধীনে না নেওয়া ও জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ না করার জন্য দেশে যেমন ক্ষোভ রয়েছে এবং বহির্বিশ্বে সমালোচিত হতে হচ্ছে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই জাতীয় ন্যূনতম মজুরি আছে। ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে ১১ হাজার রুপির ঊর্ধ্বে, নেপালে ১৬ হাজার রুপি আর এখন নেপালের রুপির মান বাংলাদেশের টাকার কাছাকাছি। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের চেয়েও কম মজুরি পান বাংলাদেশের শ্রমিকেরা। সামাজিক অন্যান্যও সুবিধাও তাঁদের চেয়ে কম। সামাজিক সুবিধার দিক থেকে নেপাল অনেক এগিয়ে।

২০৩০ সালে জাতিসংঘের ঘোষিত এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পৌঁছাতে শ্রমিকের লিভিং ওয়েজসহ স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক সুবিধা উন্নত না করা গেলে সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যাবে না। শ্রমিকের কাজের নিরাপত্তা না থাকায় বারবার বাংলাদেশকে কনভেনশন লঙ্ঘন করার জন্য আইএলওতে জবাব দিতে হচ্ছে বা বারবার সংশোধিত হওয়ার সময় নিতে হচ্ছে। কলকারখানাসহ অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলা করায় বাংলাদেশ শুধু ঝড়-বন্যার দেশ হিসেবে পরিচিত নয়, দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশ হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

কাব্যকস সুপার মার্কেট, ৩ ডি কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২, ০১৬০০০১৪০৪০

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com, tchitranews@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

Web Design & Developed By
A

তদন্ত চিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।