TadantaChitra.Com | logo

২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ভয়াবহ বন্যা, আশ্রয়কেন্দ্রে ভিড় বাড়ছে

প্রকাশিত : জুন ১৯, ২০২৪, ১৬:৩৬

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ভয়াবহ বন্যা, আশ্রয়কেন্দ্রে ভিড় বাড়ছে

টানা বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। ঢলের পানিতে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় জুড়ী শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ইতোমধ্যে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।। কমলগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি খরস্রোতা ধলাই নদী বড়চেক-দেওড়াছড়া এলাকার প্রতিরক্ষা বাঁধের নতুন ও পুরাতন ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকে রহিমপুর ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ জুন) সকাল নয়টায় ড়চেক-দেওড়াছড়া এলাকার আশপাশ জুড়ে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। প্রায় সাড়ে ৩০০ ফুট এলাকায় ভাঙন দিয়ে তীব্র গতিতে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এতে এ এলাকার চৈত্রঘাট, বড়চেক, ছয়কুটসহ প্রায় ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মাহমুদ আলী জানান, ধলাই নদীর পানি বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার রাত নয়টা থেকে বড়চেক- দেওড়াছড়া এলাকার প্রতিরক্ষা বাঁধের আগের ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকতে থাকে। সকালে নতুন ভাঙন দেখা দিয়েছে। সকাল নয়টার পর পানির তোড়ে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে।

তিনি জানান, ধলাই নদী দক্ষিণ ভাগ, ছয়কোট, বড়চেক গ্রামের কয়েকটি স্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

চেয়ারম্যান আরও জানান, লক্ষ্মীপুর এলাকার পুরাতন ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকছে। এদিকে অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে হাওড় হাকালুকিতে পানি অস্বাভাবিক বেড়েছে। এতে হাওড় পাড়ের উপজেলা কুলাউড়ায় তিনটি, জুড়ীতে তিনটি, বড়লেখায় চারটি এবং রাজনগর উপজেলার দুটি ইউনিয়নের রাস্তাঘাটে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কের বেশকিছু স্থান পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এতে সড়ক যোগাযোগ এক রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাকালুকি হাওড়ের পানির চাপে কুলাউড়া পৌরসভার কিছু অংশ এবং উপজেলা পরিষদের আশপাশজুড়ে পানিতে তলিয়ে আছে। একইভাবে জলাবদ্ধতার শিকার বড়লেখা পৌরসভার বেশকিছু অংশ।

বড়চেক এলাকার শায়েস্তা মিয়া জানান, উজানে বৃষ্টিপাত বাড়লে ধলাই নদীতে পানির তীব্রতা বাড়বে। তখন এ পানি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের দিকে ছড়িয়ে পড়বে। মৌলভীবাজার জেলার জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, জেলার অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদনদী ও হাওড়ে পানি বৃদ্ধির ফলে এক লাখ ৯৩ হাজার ৯৯০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও ৯৮ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৫৭১ জন পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পানিবন্দিদের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

কাব্যকস সুপার মার্কেট, ৩ ডি কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২, ০১৬০০০১৪০৪০

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com, tchitranews@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

Web Design & Developed By
A

তদন্ত চিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।