TadantaChitra.Com | logo

২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে আসবে দুঃসময়ের নেতারা

প্রকাশিত : নভেম্বর ০৯, ২০১৯, ১৬:৫০

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে আসবে দুঃসময়ের নেতারা

রাজনৈতিক প্রতিবেদকঃ দলের দুঃসময়ের নেতারাই আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন নেতৃত্বে আসবেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টত বলেছেন ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজী, দলীয় পদ পদবী বিক্রি করে দলবাজি, ভূমিদস্যুতা, দখলবাজসহ দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে কেউই স্বেচ্ছাসেবক লীগে স্থান পাবে না।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড স্পর্টত বলেছেন, দলের দুঃসময়ে যারা জীবন বাজি রেখে নেত্রী তথা দলের জন্য কাজ করেছেন, তারাই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন। দলীয় প্রধান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুদ্বি অভিযানের মূল প্রভাব পরছে আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী স্ংগঠন সমুহে। শুদ্বি অভিযানে ক্নিন ইমেজ নেতা কর্মীদের কদর বেড়েছে সব কটি সহযোগী সংগঠনে। প্রধান মন্ত্রী নিজেই ক্লিন ইমেজের নেতাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে।

যারা ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি চুকিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করে সততা ও সাহসীকতার সহিত দ্বায়ীত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজদারী এব্য ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের সমন্বয় পুরানোদের অভিজ্ঞতা ও নতুনদের উদ্যোম সমন্বয় করে নতুন আঙ্গীকে স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সাজানো হব।

১৬ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন। একই সাথে ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক বার্ষিক সম্মেলন।
যতই দিন যাচ্ছে ততোই সম্মেলন জমে উঠছে। সারা দেশে দফায় দফায় সভা সমাবেশ, বর্ধিত সভা করছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীরা। প্রচার উপ কমিটি সদস্য সচিব শামীম শাহরিয়ার শামীম জানান, সারাদেশে পোস্টার বিলিবন্টন করা হয়েছে। দাওয়াত কার্ড, ডেলিগেট কার্ড, কাউন্সিলার কার্ড ছাড়া হয়েছে। ২/১ দিনের মধ্যে তা বন্টন করা হবে।

সহ প্রচার সম্পাদক ওবায়দুল হক খান জানান, সেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন সারা দেশের লাখ লাখ নেতা কর্মীদের মধ্যে ঈদের আনন্দ বইছে। সাধারন সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ওবায়দুল হক খান আরও জানান, ” ১/১১ এর তথাকথিত সেনা শাসিত তত্বাবধায়ক সরকারের দুঃশাসনের সময়ে অামার জীবন বাজি রেখে আমার প্রান প্রিয় নেতা কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম ভাইয়ের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তির জন্য ৮৫৫ জন সাংবাদিকের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে, জীবন বাজি রেখে ছদ্মবেশে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জমা দিয়ে ছিলাম। ঐ সময় এ সংবাদটি দেশী বিদেশি জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। আমি দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করি, দুঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে এবং আমি আমার যথাযথ মূল্যায়ন পাবো ইনশাআল্লাহ। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে সংগঠনের সিনিয়র সহ- সভাপতি সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির আহবায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ, সহ সভাপতি মতিউর রহমান মতি, অাফজাল বাবু, মুজিবুর রহমান স্বপন, মু.আব্দুল রাজ্জাকের নাম আলোচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির সদস্য সচিব মেজবাউ হোসেন সাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাত সাকিব বাদশা, একেএম আজিম, সোহেল রানা টিপু, খায়রুল হাসান জুয়েল, আব্দুল আলীম, সহ প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক নেতা ওবায়দুল হক খান, নাফিউল করিম নাফা, রফিকুল ইসলাম বিটু, আব্দুল্লাহ আল সায়েম এর নাম আলোচনায় রয়েছে।

এদের মধ্যে খায়রুল হাসানের নাম বেশ আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে। অনেকেরই ধারনা শীর্ষ এ পদের জন্যে যারা এগিয়ে আছেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েলের নাম অনেকটাই বেশী এগিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একটি সুত্র। তার সততা, স্বচ্ছতা, কমিটমেন্ট এবং সাহসীকতা ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকেই বেশ প্রশংসনীয়।

খায়রুল হাসান জুয়েল ১৯৯৩ সালে মাদারীপুর জেলার ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে ছাত্র রাজনীতির পথচলার শুভ সূচনা করেন, ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে ভর্তী হয়ে , ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

খায়রুল হাসান জুয়েল ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা কালীন সময়ে ফজলুল হক হলের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, তখন নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যক্রম ধরে রাখতে যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েল ছিলেন অন্যতম সাহসী ছাত্রলীগ নেতা।

পরবর্তীতে ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন। ওয়ান ইলেভেনের সময়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষ করেননি তিনি।

শেখ হাসিনার প্রতি আস্থায় অবিচল থাকতে গিয়ে দীর্ঘ এক বছর ডিটেনশনে কারাগারের অন্ধকার প্রকষ্টে কাটাতে হয়েছে; তবু এক মিনিটের জন্যেও আদর্শচ্যুত হননি। পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েই কাজ করার সুযোগ পান স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
খায়রুল হাসান জুয়েল বলেন, এক-এগারোতে নেত্রীর কারা মুক্তির আন্দোলনে দীর্ঘ এক বছর জেলে থেকেছি। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বার বার হামলা মামলার শিকার হয়েছি, জেল খেটেছি। সততা স্বচ্ছতা কমিটমেন্ট এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে দলের জন্য সব সময় নিয়োজিত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি নেতৃত্বে যেই আসুক তার যেন অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, কনট্রিবিউশন, কমিটমেন্ট এবং সর্বোপরি দল পরিচালনার সক্ষমতা অবশ্যই থাকতে হবে।

এদের মধ্য থেকে যারা জীবন বাজি রেখে দলের দুঃসময়ে দলের পক্ষে কাজ করেছেন, ক্নিন ইমেজদারি নেতারাই গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিশেষজ্ঞ জানান, কৃষক লীগের কমিটিতে ক্লিন ইমেজের সৎ সাহসী দুঃসময়ে নেতারা মুলায়ন পেয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগেও এর প্রতিফলন ঘটতে পারে। তাতে বিশ্বয়ের কিছুই না।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

৪৭৩ ডিআইটি রোড তৃতীয় তলা, মালিবাগ রেইল গেট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৯৭২৬৪৯৬১২, ০১৬২২৬৪৯৬১২

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

error: Content is protected !!