TadantaChitra.Com | logo

৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৫ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বীরত্বগাথা দূরন্ত সাহসীকতার একবছর পূর্ণ করলেন এসপি কায়সার

প্রকাশিত : জুলাই ১৪, ২০২০, ১৯:১০

বীরত্বগাথা দূরন্ত সাহসীকতার একবছর পূর্ণ করলেন এসপি কায়সার

আল–আমিন শাহরিয়ার‍ঃ সরকার মোহাম্মদ কায়সার, একজন সাদা মনের মানুষ। সৎ-নির্মোহ ও নির্লোভ ব্যক্তি। ভোলার পুলিশ বিভাগ তথা বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব তিনি। ক্ষমতাধর কোন ব্যক্তি কিংবা কোন রক্তচক্ষুর অন্যায় আদেশ-নির্দেশের কাছে মাথা নত করেননা যিনি তিনিই হচ্ছেন আমাদের অতন্দ্র প্রহরী একজন সরকার মোহাম্মদ কায়সার। দেশের মূল ভু-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা ভোলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের একবছর পুর্ন হলো। তার যোগদানের ১২টি মাসের চলন্ত ট্রেন নিয়ে তিনি এক মূহুর্তের জন্য ব্রেক ফেইল করেননি।

ভোলার মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলার দায়িত্বভার নিয়ে তিনি সফলতার ৩৬৫ দিন অতিক্রম করেছেন দুরন্ত গতিতে। বিভিন্ন সুত্রগুলো থেকে গনমাধ্যমকর্মীরা সময়ের এ সাহসী সন্তানের দূসাহসীক অভিযাত্রার আদ্যোপান্ত তথ্য তুলে এনেছেন।

মাদক কারবারীদের আতঙ্কঃ

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সরকার মোহাম্মদ কায়সার ভোলাতে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর এখানকার মাদক ব্যবসায়ীরা বেকায়দায় পড়েছেন। তার যোগদানের আগ পর্যন্ত ভোলার ৭ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ ছিল মাদক কারবারীদের দখলে। অদৃশ্য শক্তি আর গডফাদারদের ছত্রছায়ায় এসব কারবারীরা ভোলার প্রতিটি এলাকায় ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নানা প্রকারের মাদকের রমরমা ব্যবসা চালাতো।

একমাত্র মাদকের টাকায় ভোলার বহু ব্যক্তি বিশাল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। মাদকের ছোবলে যুব সমাজকে ধ্বংস করা আয়ের কালোটাকায় এসব নোংড়া মানুষগুলো ভোলার আনাচে-কানাচে বহু সূরম্য প্রাসাদ নির্মাণ করে নিজেদের প্রশ্নবিদ্ধ করেছন। পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে সরকার মোহাম্মদ কায়সার ওইসব মাদক কারবারীদের নিয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

তার দক্ষতা ও বিচক্ষনতার জালে এক এক করে বন্দী হচ্ছেন মাদক ব্যবসায়ীরা । ভোলার জনপদে মাদকের কারবারের সাথে কোন কোন মিয়া ভূঞারা জড়িত পুলিশ সুপারের নখদর্পণে সব তথ্যই দিনের আলোর ন্যায় পরিস্কার । পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর সরকার মোহাম্মদ কায়সার ভোলার মাদক কারবারীদের শেখড় ধরে টান মেরেছেন। ফলে এখানকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডে মুহুর্তের মধ্যে যেন বড় ধরনের ঝাকুনি পড়ে যায় । মাদকের সাথে নো কম্প্রোমাইজ এমন শক্তশপথের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার ধান সুপারী আর ইলিশের ভোলায় শান্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

তার কঠোরতার বুলেটে সমাপ্তি ঘটেছে কুখ্যাত মাদক সম্রাট জাকির হোসেনের মাদক সাম্রাজ্যের আধিপত্য। জাকির গ্রেপ্তারের পর তার মাদক ব্যবসার গ্র্যান্ড ফাদার কারা তাদের বিরুদ্ধেও পুলিশ সুপার শ্যান দৃষ্টি রেখেছেন। বর্তমানে ভোলার অন্ধকার জগতে ঘাপটি মেরে থাকা সেইসব মাদক কারবারীদের কাছে সরকার মোহাম্মদ কায়সার একটি আতংকের নাম।

ধর্ষন প্রবনতার অবসানঃ

সরকার মোহম্মদ কায়সার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পুর্ব জমানায় ভোলার আনাচে কানাচে অহরহ ধর্ষনের ঘটনায় সাধারন মানুষ বিচার পেতনা। গ্রাম্য শালিশীতে টাউট বাটপাররা ভিক্টিমের পারিবারকে জিম্মি করে রাখতো। অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিচার চাইতে থানায় যেতে পারতোনা তারা। কখনো প্রভাবশালীদের নগ্ন হস্তক্ষেপে ভোলার বাতাসে ধর্ষিতার কান্নার শব্দে আঁতকে উঠতো মানুষ।

আর ধর্ষকের উল্লাশ করে বীরদর্পে চলার দৃশ্য দেখে সম্ভ্রমহীন বোন আর নির্যাতিতা নারী বিচার চেয়ে শুধু আল্লাহর কাছেই নালিশ জানাতো। ভোলার পুলিশ সুপার হিসেবে সরকার মোহাম্মদ কায়সার দায়িত্বভার নেয়ার পর তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল ভোলার নারীদের সম্ভ্রম রক্ষা করা। তার আকুতোভয় মনোবল যেন ধর্ষকদের বিনাশের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। জেলার পুলিশ প্রধানের দায়িত্ব গ্রহনের শুরুটাই হয়েছে র‌্যার্পিস্ট খতমের মধ্য দিয়ে । সুত্রমতে, জেলা সদর ভোলার চরসামাইয়া ইউনিয়নে ঈদের আগের রাতে এক শিশু কন্যাকে গনধর্ষনকারীরা পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।

ধর্ষক আল আমিন ও মঞ্জুর নামের দুই ধর্ষক ক্রস ফায়ারে মারা যাওয়ার খবরটি মুহুর্তের মধ্যেই যেন ভোলার নারী লোভী লম্পটদের মধ্যে আতংক ধরিয়ে দেয় । অপরাধীদের নির্মূলে পুলিশ সুপারের এমন শক্ত পদক্ষেপকে ভোলা দ্বীপের সচেতমন মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন । সেই থেকে গত একবছর যাবৎ পুরো ভোলায় ধর্ষন প্রবনতা বহুলাংশেই কমে গেছে বলে এখানকার শ্রেনী পেশার মানুষ মনে করছেন ।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মিশন বিনাসঃ

দ্বীপ জেলা ভোলার সাধারন মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় ও ধার্মভীরু । এখানকার মুসলিম সম্প্রদায় সর্বদা আল্লাহ ও রাসূলের (সাঃ) ঈমান আকিদা পালনে সচেষ্ট থাকেন । ইসলাম ধর্ম এবং নবী রাসূলের প্রতি অবমাননর কোন খবরে এরা ঘরে বসে থাকতে পারে না। ধর্মপ্রান এসকল মানুষ গুলোকে টার্গেট করে একটি দেশবিরোধী চক্র নানা সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাতে নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামেন । দিনটি ছিল ২০ অক্টোবর ২০১৯ ইং । প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) কে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে শান্তিপ্রিয় মুসল্লিরা বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

ওই ঘটনাটি পুঁজি করে দেশদ্রোহী একটি গোষ্ঠি পুরো বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে অশান্ত করার মিশন শুরু করেন। ওই চক্রটি তখন আইন শৃখংলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে পুরো পরিস্থিতিকে বেসামাল করার চেস্টা চালায়। সুত্রমতে, ওই সময় একটি রাজনৈতিক দলের দূর্বৃত্তরা পুলিশ ও মুসল্লিদের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষন করে।

ওই সময় আততায়ীর গুলিতে ৪ মুসল্লি নিহত হন। গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত হন অসংখ্য পুলিশ এবং সাধারন মানুষ । তখন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার দূরদর্শিতা ও অটুট মনোবল নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের সকল মিশন বিনাস করতে সক্ষম হন। অত্যন্ত মেধামত্ত্বার সাথে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনে ভোলা তথা পুরো দেশকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে রক্ষা করে বিচক্ষনতার পরিচয় দেন।

ফেসবুকে কটুক্তিকারী বিপ্লব বিশ্বাস নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত বিপ্লব ওই রাজনৈতিক দলটির ছাত্র সংগঠনের নেতা ছিলেন বলে গনমাধ্যমের কাছে তথ্য রয়েছে।

আশান্ত মেঘনায় জলদস্যু নির্মূলঃ

ভোলার মেঘনা নদীতে এক সময় জলদস্যুদের বিচরন আর আধিপাত্যের ফলে জেলেরা মাছ শিকার করতে পারতোনা। জলদস্যুদের আক্রমনে প্রতিনিয়ত জেলের রক্তে মেঘনায়র ঘোলা পানি লাল হয়ে যেত।

এ পর্যন্ত এখানকার মেঘনা নদীতে জলদস্যুদের হামলায় কত জেলে মারা গেছেন আর কতজন নিখোঁজ আছেন তার কোন সু-নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ভোলার মেঘনা নদীতে জলদস্যুদের বহুজাতিক বাহিনী গড়ে উঠেছে। অতীতে ওইসব প্রভাবশালীরা প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্তা ব্যাক্তিদের ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্তাল মেঘনায় ত্রাসের রাজত্ব চালতো । তাদের স্লিপ আর নিশানা কিনে মেঘনা নদীর নির্ধারিত সীমানা পর্যন্ত জেলেদের মাছ ধরতে যেতে হত। পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নেয়ার পর সরকার মোহাম্মদ কায়সার দক্ষহস্তে সেইসব পুরনো জঞ্জাল পরিষ্কার করেছেন।

জলদস্যুদের কাছে খবর পৌছে যায়, এক বার ধরা পড়লে আর নিস্তার নেই। পুলিশ সুপার তার একান্ত চিন্তা-চেতনায় ভোলার পিছিয়ে পড়া নিরীহ জেলেদের দুঃখ দুর্দশার অবসানকল্পে মেঘনা নদী জলদস্যু নির্মূলের পদক্ষেপ নেন। তারই অংশ হিসেবে সম্প্রতি ভোলার রাজাপুরে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন দুর্ধর্ষ জলদস্যু সফিকুল ইসলাম। ওই ঘটনার পর থেকে ভোলার মৎস্য অভয়ারন্যগুলে এখন জলদস্যুমুক্ত। ফলে জেলেরা এখন আতঙ্কিত নয়। তারা মাছ আহরনকালে জলদস্যুর হামলার শিকারের খবর এখন তেমন শুনা যায় না।

গণমাধ্যম বান্ধব পুলিশ সুপারঃ

আজ থেকে কয়েক যুগ আগে ভোলার মাটি ও মানুষের আপনজন ছিলেন, তৎকালীন পুলিশ সুপার জমশেদ উদ্দিন ভূইয়া। তিনি সাধারন মানুষের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও আপনজন ছিলেন। ভালো মন্দ সকল বিষয়ে সাংবাদিকরাই ছিলেন তার একমাত্র চলার সাথী। সেই সময় অবহেলিত অন্ধকারাচ্ছন্ন ভোলাকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত আর সন্ত্রাসমুক্ত করে তিনি সকলের মনের মনি কোঠায় জায়গা করে নেন। তার জন্য ভোলার মানুষ এখনো কাঁদেন, দোয়া করেন।

দীর্ঘযুগপর ভোলার গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের আরেক প্রিয় বন্ধুকে খুঁজে পেলেন আর তিনি হলেন, সরকার মোহাম্মদ কায়সার। তার প্রতিটি ভালো কাজে তিনি সবসময় গণমাধ্যমকেই বেশি প্রাধাণ্য দেন। ভোলার মিডিয়াপাড়ায় তিনি গণমাধ্যম বান্ধব পুলিশ সুপার হিসেবে ইতিমধ্যেই জায়গা করে নিতে পেরেছেন। ভোলার সংবাদকর্মীরা অকুতোভয় এপুলিশকর্তার মাঝে প্রয়াত পুলিশ সুপার জমশেদ উদ্দিন ভূঁইয়ার প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছেন।

ভোলায় কর্মকালের একবছর পূর্তিতে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের আরো বেশি সহযোগীতা চেয়েছেন। বলেছেন, সত্য প্রতিষ্ঠা আর ন্যায়ের যুদ্ধে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকরাই হচ্ছেন তার একমাত্র প্রান। তাই আগামীর পথ চলায় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

পুলিশপাড়ায় ক্লিন ইমেজঃ

সততা, সাহসিকতা আর নিষ্ঠার কারনে সরকার মোহাম্মদ কায়সার শুধু ভোলাবাসির মধ্যেই স্থান করে নেননি, তার ক্লিন ইমেজের ব্যাপ্তি দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশ পাড়ায়ও বিস্তার লাভ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দ্বীপ জেলা ভোলার সাত উপজেলায় দশটি থানা আর বেশ কয়েকটি পুলিশ ফাড়ি রয়েছে। এসব থানাগুলোর অফিসার ইনচার্জ ওসি তদন্ত, ওসি অপারেশন, পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও সাধারন সিপাহী পর্যন্ত খোঁজ-খবর এবং তদারকি করেন পুলিশ সুপার।

তাদের সকলের কাছে প্রতিদিন সরকার মোহাম্মদ কায়সারের গঠনমূলক আদেশ-নিষেধ,উপদেশ ও সততার বানী পৌছে যায়। তার ভাল কথাগুলো এখানকার পুলিশের সকলেই মেনে চলার চেষ্টা করেন। পুলিশের জন্য তিনি সবসময় একটি বয়ান দিয়ে থাকেন। আর তা হলো-ক্রিমিনাল, নো-কম্প্রোমাইজ । পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের আচরনে কোন মানুষ যেন মনে আঘাত না পান। আপনারা জনগনের সেবক। সাধারন মানুষ আপনাদেরকে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল মনে করেন। তাই আপনারা সবসময় জনগনের পাশে থাকুন।

পুলিশ সুপারের এরকম জ্ঞান গর্ব দিক নির্দেশনা ভোলার পুলিশ বাহিনীকে যেন আরো উজ্জীবিত করে তুলেছে। তাই পুলিশ পাড়ায় মানুষ হিসেবে সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রিয় ব্যাক্তিত্ব ও সমাদ্রিত একজন মানুষ।

ভোলাবাসীর শুভ কামনাঃ

একজন চৌকষ পুলিশ সুপার হিসাবে সরকার মোহাম্মদ কায়সার সফলতার ১ বছর পূর্ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভোলার সর্বস্তরের মানুষ ও সূশীল সমাজের ব্যক্তিরা । পুলিশ যে আসলেই জনগনের কতটা কাছের বন্ধু হতে পারে, ভোলার ভুমিতে তার চির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, সরকার মোহাম্মদ কায়সার। মাত্র এক বছর কার্যকালে পিছিয়ে পড়া ভোলার ধ্বসে পড়া আইন শৃংখলা পরিস্থিতির শক্তিশালী ভীত রচনা করায় বিভিন্ন পেশাজীবিরা ও সামাজিক গনমাধ্যমও এ কালপুরুষকে অভিবাদন জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন...


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

৪৭৩ ডিআইটি রোড তৃতীয় তলা, মালিবাগ রেইল গেট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

তদন্তচিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।