TadantaChitra.Com | logo

২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আ’লীগের পরিচয়ে কন্ঠশিল্পী অন্তর রহমানের জামায়েত আঁতাত, অভিযোগ নারীবাজি’র!

প্রকাশিত : জুলাই ২৪, ২০২০, ১৯:৫৪

আ’লীগের পরিচয়ে কন্ঠশিল্পী অন্তর রহমানের জামায়েত আঁতাত, অভিযোগ নারীবাজি’র!

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রের এমন কোন ব্যক্তি বাদ নেই যার সাথে তার ছবি নাই। তবে পুলিশ প্রশাসনের সাথেই সেলফি তুলে তা এফবি গরম রেখেছেন এই কন্ঠশিল্পী। সম্প্রতি দুর্নীতির দায়ে যত মাফিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা সবাই সমাজের বিভিন্ন মানুষের সাথে এমন সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বাসা, অফিসে ঝুলিয়ে রেখে সাধারণ নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারণার করেছে মর্মে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠেছে। প্রভাবশালীদের সাথে যে কেউ ছবি তুলতে পারে, এমন সুযোগ নিয়ে প্রতারক চক্র সেই ছবিকে পুঁজি করে প্রতারনা করে যাচ্ছে। ঠিক এই কন্ঠশিল্পী প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে ছবি তুলে রাজধানীতে দাপিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। যেখানে যে পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয় দেওয়া লাগবে সেখানে সেই কর্মকর্তাকে একবারে কাছের ভাই বানিয়ে পেলেন এই প্রতারক। ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এডিসি নাজমুল হাসান তার বন্ধু এমন ভাষ্য অন্তর রহমানের।

ঢাকা মহানগরের দুটি ছাত্রলীগের কমিটির লোকজন তার কথায় উঠে বসে। স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুকে তিনি যা বলবেন তা-ই করবে এমন কথার ফুল ঝুড়ি দিয়ে মানুষের পাওনা টাকা উত্তোলন করে দেন অন্তর।

নিজেকে আ’লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে জাহির করলেও বাস্তবে তার রাজনৈতিক চিত্র ভিন্ন। ঢাকায় বসে-ই তিনি নিজেকে রংপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পরিচয় ও প্রচার করছেন। এটা ছাড়াও সব চেয়ে ভয়াঙ্কর তথ্য হচ্ছে অন্তর জামায়েত, শিবিরের অর্থ দিয়ে রাজধানীতে একটি সন্ত্রাসী গ্যাং লালন পালন করেন। তার এই গ্যাংয়ে রয়েছে, মাদক ব্যবসায়ী আসলাম, আবুল কালাম আজাদ সহ আরো আট সদস্য।

কে এই কন্ঠশিল্পী অন্তর রহমান?
সম্প্রতি উদীয়মান কন্ঠশিল্পী অন্তর রহমানের বিভিন্ন অপকর্মের বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় গণমাধ্যমে এই বিষয়টি নজরে আসে। কে এই অন্তর রহমান? খবর নিয়ে দেখা যায়, তার বাড়ি রংপুর জেলা সদরের সেনপাড়ায়।

২০০৯ সালে চ্যানেল আই সেরা কন্ঠে অংশগ্রহণ করে। এক এক সময় নিজেকে পরিচয় দেয় জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদের এর ভাতিজা, আবার পুলিশের আইজিপি কিংবা ডিআইজির ছোট ভাই আবার কখনো শেখ রাসেল স্মৃতি পরিষদের রংপুর বিভাগের আহ্বায়ক।

অনুসন্ধানে উঠে আসে বর্তমানে তিনি বাস করেন স্ত্রীসহ ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায়। বিয়ে করেছেন বেশ কয়েকটি। মডেলিং ও গানের সুযোগ করে দেওয়ার নাম করে ভোগ করেছেন শতাধিক নারীকে। তার আরেকটি বড় সুনাম রয়েছে তা হলো কেউ জমি উদ্ধার করতে না পারলে কন্ট্রাক্টে অফিস উদ্ধার ও আমলাদের সাথে দহরম মহরম রয়েছে বলে চাকুরী দেওয়ার নাম করে প্রতারনা। তিনি বর্তমানে যে স্ত্রীর সাথে বসবাস করছেন তার বাবা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কমিটিতে ও পৌর কমিটির বিএনপি-জামাত জোটের সভাপতি।

এছাড়াও জামাতের আলোচিত নেতা সিরাজী ওরফে লিটনের সাথে মিলে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। পল্টনে পরিবেশ বাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন পরিচালনা পরিষদের বহিষ্কৃত মহাসচিব ও অর্থ পরিচালক বিএনপি-জামায়েত পন্থী নেতাদের পক্ষে অফিস দখল করে সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে কার্যালয় দখল ও মালামাল আটকে রেখেছে।

অন্তর রহমানের মতো ধান্দাবাজ ও প্রতারকের কারণে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি তৎপর না হয় তবে হাজারো বেকার এবং অসহায় মানুষ পথে বসবে সিরাজী আর অন্তরদের কারণে।

২০১৫ সালে রোমনা (ছদ্মনাম) নামের এক সুন্দরী ললনাকে মডেলিং বানানোর প্রলোভন দিয়ে বিয়ে করেন অন্তর রহমান। এই প্রতিবেদককে রোমনা জানান, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমাকে বিভিন্ন মানুষ সাথে মেলামেশা করিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাকে ডিভোর্সের কাগজ পাঠিয়ে দেয়। আমি চাইলে অনেক কিছু করতে পারতাম, আমি নিজের ভবিষ্যেতের কথা ভেবে কিছু বলি নাই। এরপর মাঝে মাঝে আমাকে নক দিত আমি তার নকে সাড়া দেই নাই। আমি চাই আপনি তার বিরুদ্ধে একটা প্রতিবেদন লিখে তার মুখোশ উন্মোচন করবেন। এ প্রতিবেদককে কথাগুলো বলেন অন্তর রহমানের সাবেক স্ত্রী রোমনা (ছদ্মনাম)।

২০১৭ সালে নুপুর নামে এক মিউজিক ভিডিও অভিনেত্রীকে নিয়ে বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিও গানে মডেল হিসেবে রাকা কথা দেন অন্তর রহমান। দুই-একটি গানে তাকে মডেল হিসেবে রেখে শারিরীক সম্পর্ক করে পরবর্তীতে অন্য গানে রাখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েও সেই নুপুরের সাথে অমানবিক আচারন করেন এই কন্ঠশিল্পী। বেশ কিছু দিন এই নারী মডেল তার আশায় থেকে অন্য নৌকায় পাল তুলেন। এই নারী মডেলকে শুধু নিজের প্রয়োজনেই ব্যবহার করেন নি অন্তর’ সাপ্লাই দিয়েছেন বিভিন্ন লোকজনের কাছে। কাজ ও টাকা নিয়ে জটিলতার একপর্যায়ে সেই নারী মডেল বাদ্য হয়ে অন্য পরিচালকের সাথে কাজ করছেন।

কে এই নুর মোহাম্মাদ সিরাজী ওরফে লিটন?
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চেড়াঘাট গ্রামের দরিদ্র কৃষকের মাদ্রাসা পড়–য়া সন্তান লিটন। জন্ম ১৯৮৭ সাল। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত কৃষক বাবা তাকে ভর্তি করান মাদ্রাসায়। উল্লেখ্য, জামাত অধ্যষিত এই চেড়াঘাট গ্রামের ৯০% মানুষই জন্মসূত্রে জামাত সমর্থক। অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির লিটন নাম মাদ্রাসায় পড়াকালীন শিবিরের দুর্ধর্ষ ক্যাডার হয়ে যান।

২০১৩-১৪ সালের নাশকতার সময় এই লিটনের অত্যাচার ছিল সীমাহীন। ১৩-১৪ সালে নাশকতার সময় কলারোয়া বাজার, দমদম বাজার, সোনাবাড়ীয়া বাজার, যুগীবাড়ি মোড় এবং ব্রজবাকসা মোড়ে সে ত্রাসের রাজ্য কায়েম করেছিল। তৎকালীন কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বর্তমানে কলারোয়া থানার ৩ নং কয়লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ ইমরানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ/আওয়ামীলীগের সাথে নুর মোহাম্মাদ সিরাজী ওরফে লিটনের নেতৃত্বে শিবিরের সাথে কলারোয়া হাসপাতাল রোড সহ বিভিন্ন জায়গায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল।

৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের পর সে আত্মগোপনে যায়। ৩৩ বছরের এই যুবক কয়েকটি বিয়েও করে। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করে বহু টাকা লোটপাট করে। তার নামে একাধিক চেক জালিয়াতির মামলা সহ বিভিন্ন মামলা আছে। এরপর সে ঢাকায় এসে আত্মগোপন করে। সে সময় পার্বত্য সন্ত্রাসী রকি বড়ুয়া, হেফাজত ইসলাম, ও ইসলামী ঐক্যজোটের সাথে সংখ্যতা গড়ে তোলে। তাদের মদদে এবং কোন কূট কৌশল বাস্তবায়নে নতুন করে পরিচিত হয় মওলানা নূর মোহাম্মাদ সিরাজী নামে। প্রয়াত শওকত হোসেন নিলুর এনপিপিতে যোগ দিয়ে বড় নেতা হয়ে যান। তারপর এক সময় ওলামা লীগের নেতাদের সাথে মিশতে থাকে। এভাবে আওয়ামী ঘরোনায় ঢুকে যান জামায়েত শিবিরের এই সন্ত্রাসী। এক পর্যায়ে বিভিন্ন নেতাদের মাধ্যমে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে মিশতে থাকে।

এসবির একজন দায়িত্বশীল উদ্ধর্তন কর্মকর্তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলে। ওই অফিসার এই শিবির নেতার চালাকি বুঝতে না পেরে গভীরভাবে মিশতে থাকে। এই পুলিশ কর্মকর্তার সুবাদে শুরু একে একে সব উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে সেলফি আর যাতায়াত। তারপর শুরু করে মন্ত্রী আর এমপিদের সাথে ঘনিষ্ঠতা। এভাবেই সে রকি বড়ুয়াকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।

উল্লেখ্য, রকি বড়ুয়ার ডেরা বান্দরবনে সে প্রায় নারীসহ যাতায়াত করে। এবং সারা দেশে ট্যুর করতে থাকে। রংপুরের জয় সদন থেকে শুরু করে গণভবন! আর ওসি থেকে শুরু করে এডিশনাল আইজি পর্যন্ত! সমস্ত জায়গায় তার পদচারণা আর সেলফিবাজী। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী আর সচিব বিপুল বিক্রমে তার পদচারণা আর সেলফিবাজী। সাঈদীর ছেলে, রকি বড়ুয়া, হেফাজত ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটসহ জামাত শিবির! সব জায়গায় তার অবাধ পদচারণা।

মূলত, জামায়েত-শিবিরের এজেন্ট হিসাবেই সে নিয়োজিত। কয়লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন বলেন, এই সিরাজী ওরফে লিটনের নেতৃত্বে শিবির ১৩/১৪ সালে ছাত্রলীগের উপর যে অত্যাচার করেছে তা কখনো ভুলবার নয়। এরকম একজন দুর্ধষ শিবির ক্যাডার কিভাবে গণভবন পর্যন্ত পৌঁছালো সেটা আমার বোধগম্য নয়।

অন্তরের আরেক সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী আসলাম!
চাঁদাবাজ ও প্রতারক কথিত আওয়ামী লীগ নেতা ও তথাকথিত টেলিভিশনের পরিচালক পরিচয়ধারী আসলামের প্রতারণা বন্ধে পুলিশের মহা পরিদর্শক এর কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছেন মুগদা এলাকার মোহাম্মদ সালেহীন নামে এক বাসিন্দা।

আসলামের প্রতারণার বন্ধের পরিত্রাণ চেয়ে গত ২২/০৬/২০২০ ইং তারিখে একটি অভিযোগ দেন। যার আইজিপি’স কমপ্লেইন্টস মনিটরিং সেল এসএল-৬৯৮।

ওই অভিযোগে মোহাম্মদ সালেহীন উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুর নাম সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র প্রতারণা মাদক ব্যবসা সহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত। উক্ত চক্রটির বিরুদ্ধে আইন ও প্রশাসন কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করছে না। এই প্রতারক চক্র আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উধ্বর্তন কর্মকর্তার সাথে ছবি তুলে তা সাধারণ মানুষের কাছে ভাই-বন্ধু বলে পরিচয় দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি মরণব্যাধি ইয়াবা ব্যবসার সাথেও জড়িয়ে পড়ছে। ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন পদ-পদাবী ও মিডিয়ার পরিচয় দিয়ে রাজধানীতে দাপিয়ে নানা মুখি অপকর্ম করে যাচ্ছে। এই অপকর্মকারীদের কাছে খোদ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীই অসহায়।

উক্ত সিন্ডিকেটের মূল হোতা মোঃ আসলাম হোসেন (ফোন ০১৭১৬-৭৮৯৩৪৯), বরিশাল জেলার মেহেন্দীগ›জ উপজেলায় তার স্থায়ী ঠিকানা। তিনি কখনো রাজধানীর মানিক নগর ও যাত্রাবাড়ী, একেক সময় একেক জায়গায় অবস্থান করেন। কখনো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা। কখনো মহানগর দক্ষিণের নেতা। কখনো বঙ্গবন্ধুর নামে অনুমোদনহীন কথিত সংগঠনের সভাপতি। কখনো ইউনিয়ন, কখনো উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা। এছাড়াও বিজয়ের আলো টিভি নামক একটি কথিত অনলাইন টেলিভিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রতারণা করে বেড়াচ্ছে। সারাদেশে তার রয়েছে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট। এই টেলিভিশনের আড়ালে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণী দিয়ে মাদক পাচার করে আসছে।

এছাড়াও চাকুরি প্রলোভন দিয়ে কলেজ পড়–য়া তরুণীদেরকে দিয়ে ইচ্ছের বিরুদ্ধে দেহ ব্যবসা করিয়ে আসছেন আসলাম। তার মাদক সিন্ডিকেট ও সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। কয়েকটি মেয়ের অশ্লীল ভিডিও তার কাছে থাকাতে ওই ভিডিও ইউটিউবে ছাড়া ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে রেখেছেন মাদক সম্রাট আসলাম।

মাদক সম্রাট আসলামের ০১৭১৬-৭৮৯৩৪৯ নাম্বার টেকিং করলে অনেক তথ্য-ই বেরিয়ে আসবে। এই মাদক সম্রাট আসলামের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই বললেই চলে। সহযোগী হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে নিয়োজিত আছেন দেশের বেশকিছু বিএনপি-জামাত জোটের নেতা সহ কিছু অসাধু সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

এছাড়াও তার সাথে ঘনিষ্ঠ সখ্যতা রয়েছে বিএনপি-জামাত জোটের অসংখ্য নেতার সাথে। মাদক ব্যবসা ও প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন বেশ কয়েক বছর যাবত। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের কিছু নেতাদের দিয়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে থাকেন।

উক্ত আসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও দেশরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত আইজিপি মহোদয়ের শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে অসংখ্য অসহায় মানুষ কৃতজ্ঞ থাকবে। আরো আসছে,,,,,চলবে..!

সংবাদটি শেয়ার করুন...


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

৪৭৩ ডিআইটি রোড তৃতীয় তলা, মালিবাগ রেইল গেট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

তদন্তচিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।