TadantaChitra.Com | logo

৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ডাঃ আলীর একি কান্ড!

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২২, ২০২০, ০৬:২৮

ডাঃ আলীর একি কান্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক : লাকসামে সবার মুখে মুখে মুখরোচক যে শ্লোগান শুনা যাচ্ছে তা হল, ডাঃ আলী-লাকসাম ছেড়ে কবে যাবি ? ম্লোগানের রহস্যস্বরুপ জানা যাচ্ছে যে, লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আলী তার কথিত স্ত্রী ইসরাত জাহানকে বাদী করে লাকসামে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে।

মুক্তা ডাঃ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী হলেও আলী মুক্তার ৪র্থ স্বামী।! প্রথমে গোপনে বিয়ে খবর জানাজানি হলে ডাঃ আলী নিজেকে সেইফ করতে মুক্তাকে দিয়ে  তার সাবেক স্বামী ইমন হোসেন সহ তিন জনের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় ২৪ অক্টোবর একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অথচ ২৪ অক্টোবর লাকসাম থানায় তার কোন মামলা নেয়নি বলে মিথ্যা হলফনামা দিয়ে ২৫ অক্টোবর কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। উক্ত মামলাটি পিবিআই কুমিল্লাকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ।

লক্ষীপুর সদরের পিয়ারাপুর গ্রামের মানিক হোসেনের মেয়ে ইশরাত জাহান মুক্তার ৪র্থ বিয়ে হয় ডা: আবদুল আলীর সাথে। বিবাদীরা ১৫ অক্টোবর বিকালে ইশরাত জাহান মুক্তার বাসায় গিয়ে মারধর, শ্লীলতাহানী ও হুমকি-ধমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করে। কিন্তু ১৫ তারিখের মারামারি ঘটনায় আহত ইশরাত জাহান মুক্তা লাকসাম সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসার জন্য গিয়েছে ২২ অক্টোবর বেলা বারটায় ? ৮(আট) দিন পরে চিকিৎসার জন্য গিয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে রীতিমত তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আউটডোর রেজিষ্টারে স্বামী হিসাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুল আলীর নাম লেখা হয়নি। আউটডোর রেজিষ্টারে ইশরাত জাহান মুক্তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার নোট থাকলেও পরে তা কেটে দিয়ে ভর্তি দেখানো হয়েছে। ২২ অক্টোবর বেলা ১২টা ৫ মিনিটে ২৯৫০/৯ রেজিষ্ট্রেশনে ভর্তি দেখানো হয় তাকে।

রোগী ছাড়াই বেড-হেড টিকেট পাঠানো হয় ইনডোরে। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সেবিকাগণ রোগি  বেডে নাই মর্মে ২২ অক্টোবর ২ বার বেড-হেড টিকেটে নোট দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবর উক্ত রোগীকে বেডে না পেয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সেবিকাগণ রোগীকে পলাতক দেখিয়েছেন। উক্ত পলাতক রোগীর নামে ২২ অক্টোবর বিধি বর্হিভূতভাবে সার্টিফিকেট ইস্যু করিয়েছেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুল আলী।

ইশরাত জাহান মুক্তার ৪র্থ স্বামী ডা: আবদুল আলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হওয়ার কারণে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঐ সার্টিফিকেট ইস্যু করিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ঐ মিথ্য সার্টিফিকেট দিয়ে ২৫ অক্টোবর কুমিল্লার আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে ডা: আবদুল আলীর ২য় স্ত্রী ইশরাত জাহান মুক্তা।

অপরদিকে গত ২১ অক্টোবর শাহিনুর আক্তার জেসমিন নামের এক ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে ডা: আবদুল আলীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। এতে আলী প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে মুক্তার মামলায় শহিনুর আক্তারের মামলার  স্বাক্ষী ইমন হোসেন ও লাকসামের এক সাংবাদিকের বিরদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। তাই লাকসামবাসী মিছিলের সুরে প্রতিবাদ জানিয়ে বলছে, লম্পট ডাঃ আলী- লাকসাম ছেড়ে কবে যাবি ?


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যলয়

৪৭৩ ডিআইটি রোড তৃতীয় তলা, মালিবাগ রেইল গেট, ঢাকা-১২১৯

মোবাইলঃ ০১৬২২৬৪৯৬১২

মেইলঃ tadantachitra93@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

তদন্তচিত্র কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।